বিস্ময়কর কোরআন
প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তুললেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা(১০ এপ্রিল ২০১৯)।
আর কোরআন কৃষ্ণগহ্বর বা Black hole সম্পর্কে বলছে ১৪৪০ বছর আগে।
আর এটা আছে সূরা ওয়াকিয়া অধ্যায় নাম্বার ৫৬, আয়াত নাম্বার ৭৫। সেখানে বলা হয়েছে যে, فلا أقسم بمواقع النجوم ( অর্থাৎ আমি শপথ করছি নক্ষত্ররাজির অদৃশ্য হওয়ার স্থানের)
এখানে যে আরবি শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটা হলো مواقع যেটা وقع মূল শব্দ থেকে এসেছে আর English to Arabic অভিধান অনুযায়ীوقع শব্দের অর্থ হলো :
১,fall তথা পতিত হওয়া বা ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া।
২, Belocked তথা দৃঢ়ভাবে আটকে যাওয়া।
৩, disappear তথা অদৃশ্য হওয়া।
৪,set তথা অস্ত যাওয়া।
আর কোরআন কৃষ্ণগহ্বর বা Black hole সম্পর্কে বলছে ১৪৪০ বছর আগে।
আর এটা আছে সূরা ওয়াকিয়া অধ্যায় নাম্বার ৫৬, আয়াত নাম্বার ৭৫। সেখানে বলা হয়েছে যে, فلا أقسم بمواقع النجوم ( অর্থাৎ আমি শপথ করছি নক্ষত্ররাজির অদৃশ্য হওয়ার স্থানের)
এখানে যে আরবি শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটা হলো مواقع যেটা وقع মূল শব্দ থেকে এসেছে আর English to Arabic অভিধান অনুযায়ীوقع শব্দের অর্থ হলো :
১,fall তথা পতিত হওয়া বা ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া।
২, Belocked তথা দৃঢ়ভাবে আটকে যাওয়া।
৩, disappear তথা অদৃশ্য হওয়া।
৪,set তথা অস্ত যাওয়া।
অপরদিকে, কৃষ্ণগহ্বর হলো: মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে গ্ৰহনক্ষত্রাদি পতিত হলে অদৃশ্য হয়ে যায় এমনকি আলোকতরঙ্গও পালাতে পারে না।
আর وقع মূল শব্দ থেকে গঠিত مواقع শব্দটি আরবি স্থান বা কালবাচক বিশেষ্য যাকে আরবি ব্যাকরণের পরিভাষায় اسم ظرف বলা হয়।
(আর ইসমে যরফ হলো : যে বিশেষ্য কোন ক্রিয়া সংঘটনের স্থান বা কাল বোঝায় তাকে ইসমে যরফ বলে।)
আর এ শব্দটি আরবি বহুবচন যার অর্থ হয়,
১, অদৃশ্য হওয়ার স্থান সমূহ,
২, দৃঢ়ভাবে আটকে যাওয়ার স্থানসমূহ,
৩,অস্ত যাওয়ার স্থানসমূহ অর্থাৎ অস্তাচলসমূহ ইত্যাদি।
অতএব যেহেতু কোনো গ্ৰহ বা নক্ষত্র কৃষ্ণগহ্বরের নিকটে গেলে তা অদৃশ্য হয়ে যায় এবং এমন দৃঢ়ভাবে আটকে যায় যাতে আলোকতরঙ্গও পালাতে পারে না বা অদৃশ্য হয়ে যায়।তাই কৃষ্ণগহ্বরকে আমরা বলতে পারি গ্ৰহনক্ষত্রাদির অদৃশ্য হওয়ার স্থান, দৃঢ়ভাবে আটকে যাওয়ার স্থান,অস্তাচল অর্থাৎ مواقع النجوم
তাই কোরআন সেকেলে নয় বরং অনেক আধুনিক ।
শুধু তাই নয় مواقع শব্দটি বহুবচন হওয়ায় আমরা বলতে পারি যে এরকম অনেক কৃষ্ণগহ্বর রয়েছে।
আর কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন।
আর শেয়ার করতে ভুলবেন না কারণ, এ ব্যাপারে হাদীস বলছে আর এটা আছে বাবুল ইলম(باب العلم) অধ্যায় নাম্বার ২, হাদীস নাম্বার ১, মেশকাত শরীফ ও বুখারী।
সেখানে বলা হয়েছে যে,( بلغوا عني ولو ايه )** হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর(রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, তোমরা আমার পক্ষ থেকে লোকদের নিকট পৌঁছে দাও যদিও তা একটি মাত্র আয়াত হয়।
সুতরাং এই হাদীস থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, যখনই কোরআন বা হাদীসের কোন বাণী আমাদের নিকট আসবে তখন অবশ্যই আমাদের তা অন্যদের জানানো উচিত।
তাই শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।
(আর ইসমে যরফ হলো : যে বিশেষ্য কোন ক্রিয়া সংঘটনের স্থান বা কাল বোঝায় তাকে ইসমে যরফ বলে।)
আর এ শব্দটি আরবি বহুবচন যার অর্থ হয়,
১, অদৃশ্য হওয়ার স্থান সমূহ,
২, দৃঢ়ভাবে আটকে যাওয়ার স্থানসমূহ,
৩,অস্ত যাওয়ার স্থানসমূহ অর্থাৎ অস্তাচলসমূহ ইত্যাদি।
অতএব যেহেতু কোনো গ্ৰহ বা নক্ষত্র কৃষ্ণগহ্বরের নিকটে গেলে তা অদৃশ্য হয়ে যায় এবং এমন দৃঢ়ভাবে আটকে যায় যাতে আলোকতরঙ্গও পালাতে পারে না বা অদৃশ্য হয়ে যায়।তাই কৃষ্ণগহ্বরকে আমরা বলতে পারি গ্ৰহনক্ষত্রাদির
তাই কোরআন সেকেলে নয় বরং অনেক আধুনিক ।
শুধু তাই নয় مواقع শব্দটি বহুবচন হওয়ায় আমরা বলতে পারি যে এরকম অনেক কৃষ্ণগহ্বর রয়েছে।
আর কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন।
আর শেয়ার করতে ভুলবেন না কারণ, এ ব্যাপারে হাদীস বলছে আর এটা আছে বাবুল ইলম(باب العلم) অধ্যায় নাম্বার ২, হাদীস নাম্বার ১, মেশকাত শরীফ ও বুখারী।
সেখানে বলা হয়েছে যে,( بلغوا عني ولو ايه )** হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর(রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, তোমরা আমার পক্ষ থেকে লোকদের নিকট পৌঁছে দাও যদিও তা একটি মাত্র আয়াত হয়।
সুতরাং এই হাদীস থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, যখনই কোরআন বা হাদীসের কোন বাণী আমাদের নিকট আসবে তখন অবশ্যই আমাদের তা অন্যদের জানানো উচিত।
তাই শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

Alhamdulillah
ReplyDeletethankoo
Delete